আলুটিলায় বন্ধ করে দেওয়া পাহাড়িদের ১২টি দোকান ‌‌‘বৈসু’ উৎসব পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি

0


খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি, সিএইচটি নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

গতকাল বুধবার (১ এপ্রিল) বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন কর্তৃক বৈধ কাগজপত্র না থাকার অজুহাতে আলুটিলা পর্যটনের আশেপাশের এলাকায় পাহাড়িদের যে ১২টি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সেগুলো আগামী ‘বৈসু’ উৎসব পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ভুক্তভোগী দোকানদারকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডেকে দীর্ঘ আলোচনার পর এই অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা যায়। তবে বৈসু উৎসবের পর দোকানদারদেরকে আবার দেখা করতে বলেছে জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

উক্ত ১২টি দোকানের মালিকানায় রয়েছেন ৮ ব্যক্তি। তারা হলেন- ১. সঞ্জিত ত্রিপুরা, তার দোকান- ১টি (কুলিংকর্ণার, সাধারণ দোকান); ২. জনক ত্রিপুরা, তার দোকান ১টি, (কুলিংকর্ণার); ৩. খোকা ত্রিপুরা, তার দোকান ১টি (কুলিংকর্ণার); ৪. বিকাশ ত্রিপুরা, তার দোকান ১টি (বি আর স্টোর); ৫. মতিলাল ত্রিপুরা, তার দোকান ১টি (কুলিংকর্ণার); ৬. কনেশ্বর ত্রিপুরা, তার দোকান ২টি (১টি কুলিংকর্ণা ও ১টি রেস্টুরেন্ট); ৭. জিতেন ত্রিপুরা, তার দোকান ১টি (কুলিংকর্ণার) ও ৮. আজাই মারমা, তার দোকান ৪টি (কুলিংকর্ণার)।

জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ফলে দোকান মালিকদের মধ্যে আপাতত কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও বৈসু উৎসবের পর কী হবে তা নিয়ে তারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গতকাল (১ এপ্রিল) জেলা প্রশাসনের একটি দল কোন প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই আলুটিলা পর্যটনের আশে-পাশে দোকানগুলোতে অভিযান চালায়। এ সময় তারা দোকানদারদের কাছ থেকে ‘দোকানের বৈধ কাগজপত্র আছে কিনা, জায়গাটা কার….” ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করেন এবং দোকানগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে রয়েছেন জনাব মো. আনোয়ার সাদাত।

এ দোকান বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে দোকানদার, স্থানীয় লোকজন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।



This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More