কাউখালীতে পাহাড়িদের জুমঘর নিয়ে সেনাবাহিনীর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ ইউপিডিএফ’র

রাঙামাটি প্রতিনিধি, সিএইচটি নিউজ
বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
রাঙামাটি জেলার “কাউখালীর গহীন জঙ্গলে ‘ইউপিডিএফের গোপন আস্তানা উচ্ছেদ” শিরোনামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রচারকে মিথ্যাচার আখ্যায়িত করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬) ইউপিডিএফের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গতকাল (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) Bangladesh Army নামে সেনাবাহিনীর একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে “পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালির গহীন জঙ্গলে ইউপিডিএফ (মূল) এর গোপন আস্তানা উচ্ছেদ” শিরোনামে কিছু ছবিসহ একটি লেখা প্রচার করা হয়েছে। এতে উক্ত স্থানে সেনাবাহিনীর একটি অস্থায়ী বেইস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
“এ খবরটি তাদের নিয়ন্ত্রিত কয়েকটি নিউজ পোর্টাল-ফেসবুক পেজেও বেশ ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে।
“অনুসন্ধানে জানা গেছে, সেনাবাহিনী যে ঘরগুলোকে “ইউপিডিএফের গোপন আস্তানা” বলে প্রচার করছে সেগুলো আসলে স্থানীয় মারমা জুমচাষীদের জুমঘর। তারা সেই জুমঘর থেকে জুমক্ষেত ও বাগান-বাগিচা দেখাশোনা করে থাকেন। সেনারা ঐ জুমঘরগুলো থেকে জুমচাষীদের ব্যবহৃত হাঁড়ি-পাতিলসহ জিনিসপত্র নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
“সেনাবাহিনী অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য পাহাড়ি জুমঘরগুলোকে ইউপিডিএফের আস্তানা হিসেবে মিথ্যাভাবে প্রচার করছে। ইউপিডিএফের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে ও পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা উপস্থিতি জায়েজ করতে সেনাবাহিনী এভাবে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা প্রচারে নেমেছে।
“আমরা ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনীর এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
এতে বলা হয়, ইউপিডিএফ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কাজেই ইউপিডিএফের “গোপন আস্তানা” থাকার কোন প্রশ্নই উঠে না।
সিএইচটি নিউজে প্রকাশিত প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ,ভিডিও, কনটেন্ট ব্যবহার করতে হলে কপিরাইট আইন অনুসরণ করে ব্যবহার করুন।
