শহীদ আখ্র-আথুইপ্রু ও থৈইচিং-এর মৃত্যুবার্ষিকীতে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি পালনে ব্যাঘাত সৃষ্টির ষড়যন্ত্র: ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের গভীর উদ্বেগ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি, সিএইচটি নিউজ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারার রামেসু বাজারে গত বছর পাহাড়িদের উপর হামলা ও খুনের প্রথম বার্ষিকীতে বিভিন্ন সংগঠনের সম্ভাব্য কর্মসূচি ঠেকাতে সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপক গুঞ্জনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ছাত্র জনতার সংগ্রাম পরিষদ।
আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি ও ফটিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উষাতন চাকমা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে, গুইমারা হামলায় শহীদ আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর যাতে কোন ধরনের গণতান্ত্রিক কর্মসূচি হতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীর একটি গ্রুপকে আজ (শনিবার) রাতের মধ্যে গুইমারা-মানিকছড়ি-রামগড় এলাকায় মোতায়েন করা হতে পারে।’
ঠ্যাঙাড়েদের দিয়ে গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তাতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনিত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে আগাম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।
ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ নেতা হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, যদি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে তাহলে তার দায় সংশ্লিষ্ট সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।
উষাতন চাকমা মনে করেন একটি কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠী গত বছর রামেসু বাজারে হামলা, খুন, ও লুটপাটে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা আড়াল করতে জনগণের মুখ বন্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং তারই অংশ হিসেবে ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীকে দিয়ে এলাকার পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাইছে।
তিনি এই কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠটির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আপামর জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
সিএইচটি নিউজে প্রকাশিত প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ,ভিডিও, কনটেন্ট ব্যবহার করতে হলে কপিরাইট আইন অনুসরণ করে ব্যবহার করুন।
