মতামত

পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনে বিএনপির নতুন প্রজেক্ট, জেএসএসের আত্মফাঁস

0


সোহেল চাকমা



পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বিএনপি সরকার “পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি” নামে ৩টি কমিটি গঠন করেছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গেজেটের মাধ্যমে এই কমিটিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। বলা যায়, আইনের মারপ্যাঁচে গঠিত এই ৩টি কমিটি বিএনপি সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনে একটি অতি দূরভিসন্ধিমূলক নতুন প্রজেক্ট। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য ও শাসন-শোষণ জারী রাখার সেনা-ডিজিএফআই ও বাঙালি এলিটদের যে মনোবাসনা ছিল, এই তিন কমিটি গঠনের মাধ্যমে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি বৈধতা দিয়ে তারেক সরকার তা প্রাথমিকভাবে বাস্তবায়ন করল।

গঠিত উক্ত তিন কমিটির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমিটি হল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি’। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক যাবতীয় পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সকল ক্ষমতাই এ কমিটির হাতে ন্যস্ত। পার্বত্য চট্টগ্রামে তথাকথিত সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন, সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনে পার্বত্য চুক্তি সংযোজন-বিয়োজন করে নতুন আইন ও বিধি-বিধান প্রণয়নের ভিত্তিতে এ কমিটিই চূড়ান্ত করবে পার্বত্য চট্টগ্রামের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল। যেখানে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ডিজিএফআই প্রধানকে। পাশাপাশি সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও দেশের অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের।

এ থেকে স্পষ্ট হয় যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভবিতব্য চেহারা কেমন হবে প্রকাশ্যে তা ঠিক করবে এখন সেনা-ডিজিএফআই। পাহাড়িদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলকে দমন করার জন্য এবং সমঅধিকারের বদৌলতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জাতিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে বিএনপি সরকারের এই প্রজেক্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং চাতুর্যপূর্ণ। নির্বাহী কমিটির কার্যবিধি (খ) নং ধারায় জীবনমান উন্নয়নে পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সেটলার বাঙালিদের আলাদাভাবে চিহ্নিত না করাটাই হলো শুভঙ্করের ফাঁকি। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা নিরসনের উছিলায় সামরিক ও গোয়েন্দা নির্ভর পার্বত্য বিষয়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে পুনর্বাসিত সেটলার বাঙালিদের সাংবিধানিক আইনি বৈধতা দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা বা ভ‚মির মালিকানার স্বীকৃতি দিতে বিএনপি সরকারের এই অভিনব কৌশল তারিফ করতে হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে জনসংখ্যার ভারসাম্য পাল্টে দিতে আশির দশকে সমতলের ছিন্নমূল ৪ লক্ষাধিক বাঙালিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে পুনর্বাসনের পূর্বে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও একইভাবে ‘ন্যাশনাল কমিটি অন চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস’ নামে একটি কমিটি গঠন করেছিলেন। যা পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাকে সমাধানের পরিবর্তে আরো অধিকতর জটিল করে তুলেছিল।

দীর্ঘ ২০ বছরের অধিক রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে থাকার পর চব্বিশের অভ্যুত্থানের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারেক রহমান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে নিজের পিতা জিয়াউর রহমানের মতোই দৃষ্টতা দেখালেন। বিএনপি’র কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলে বুঝা যায়, দেশের বাঙালি শাসকগোষ্ঠীর পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘বাংলায়ন’ করার লালসা যেন উতলিয়ে পড়ছে। রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণের শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে বিএনপি সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের স্বাতন্ত্রিক সত্তাকে অস্বীকার করে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে দীপনে দেওয়ানকে সরিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে মন্ত্রণালয়ের সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যদিও দীপেন দেওয়ান বিএনপি’র বাইরে কেউ নয়। এরপর বিএনপি’র দালাল ও চরম প্রতিক্রিয়াশীল সাচিংপ্রæ জেরিকে নামমাত্রিক পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে বসিয়ে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে কক্সবাজার জেলায় দায়িত্ব দেওয়া, মোঃ রাশেদুল হক নামে এক সেটলারকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব নিয়োগদান, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্বকারী এমপি না হয়েও মীর হেলালকে পার্বত্য চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলাসহ যাবতীয় বিষয়ে তদারকি ও দেখভাল করার দায়িত্ব অর্পণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে উগ্র সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ওয়াদুদ ভ‚ঁইয়াকে সভাপতি করা এবং সর্বশেষ সেনা-গোয়েন্দা-আমলা নির্ভর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক তিন কমিটি গঠন সবকিছুই দেশের জনগণের সামনে প্রকাশ্যে ঘটছে। অথচ কারোর কিছুই করার নেই।

বিএনপির শাসনামলে ১৯৯২ ও ‘৯৩ সালে পাহাড়িদের ওপর সেনা-সেটলার কর্তৃক সংঘটিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে ভয়াবহ লোগাং ও নানিয়াচর গণহত্যা। ১৯৯৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়িতে ভূমির অধিকার ও সেনাশাসনের বিরুদ্ধে অন্যায় ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে প্রতিবাদ সমাবেশ চলাকালে পাহাড়ি ছাত্র সমাজের ওপর বিএনপির মদদপুষ্ট প্রশাসন নৃশংস হামলা চালিয়েছিল। ১৯৯৬ সালে কল্পনা চাকমা অপহরণের দায়ও বিএনপি এড়াতে পারে না। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর ‘অপারেশন উত্তরণ’ নাম দিয়ে পাহাড়িদের ওপর নিষ্ঠুর দমন-পীড়ন ও সহিসংসতা চালানো হয়েছিল। সেটলার বসতি সম্পসারণ, ভূমি দখল নিত্য নৈমিত্তক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ২০০৩ সালের ২৬ আগস্ট মহালছড়িতে সেনা-সেটলার কর্তৃক সংঘটিত হয়েছিল জাতিগত ভয়াবহ সাম্প্রদাঢিক হামলার ঘটনা। ২০০৬ সালের ৩ এপ্রিল মাইসছড়িতে সেটলার কর্তৃক হামলা ও ধর্ষণের ঘটনাও ছিল লোমহর্ষক।

বিএনপি যতবারই রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে পাহাড়িদের ওপর দমন-পীড়ন, নিপীড়ন-নির্যাতন আরো তীব্র হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমানের সেটলার পুনর্বাসনের ভুল সিদ্ধান্তের দায় স্বীকার না করে এবং পাহাড়িদের স্বার্থ ও স্বাতন্ত্র্যতাকে উপেক্ষা করে সেটলারদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করার অপকৌশল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে সেনা-গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া একজন রাষ্ট্র প্রধানের দায়িত্বশীল আচরণ নয়। তারেক সরকারের এই সিদ্ধান্ত পাহাড়িদের জাতীয় অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। যা সমগ্র দেশের জন্য এক ভয়াবহ অশনিসংকেত।

পৃথিবীর কোনো ইতিহাসে সেনা-গোয়েন্দা সংস্থা জাতিগত অধিকারের সমস্যা সমাধান করতে পারেনি। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যাকে একপাক্ষিকভাবে মূল্যায়ন করে সমাধান করা সম্ভব নয়। এতে পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব-সংঘাত আরো বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অতীতে যারা জোর-জবরদস্তিমূলকভাবে, অন্যায়ভাবে কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করতে চেয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী জুম্ম জনগণ সবসময় বীরদর্পে রুখে দাঁড়িয়েছে। এখনো পাহাড়ে চলমান সেনাশাসনের বিরুদ্ধে জুম্ম জনগণ লড়াই-সংগ্রাম জারী রেখেছে। সুতরাং, পাহাড়িদের গণমতামত ও দাবি-দাওয়া উপেক্ষা করে সেনা-গোয়েন্দা লেন্স দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে সমাধান করতে গেলে বিএনপি সরকারকেও চরম খেসারত দিতে হবে।

কেন জেএসএসের আত্মফাঁস?

পার্বত্য চুক্তির পরপরই জেএসএস শাসকগোষ্ঠীর কাছে বন্দি হয়ে পড়েছিল। পার্বত্য চুক্তির দুর্বলতার কারণে আওয়ামী সরকার চুক্তি বাস্তবায়ন করেনি। এছাড়া বাস্তবায়নে আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকায় কোন সরকারই তা বাস্তবায়নে বাধ্য নয়। কিন্তু চুক্তি বাস্তবায়ন না হলেও জেএসএস যাবতীয় সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছে এবং সরকারের মুখাপেক্ষী দল হিসেবে ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করে টিকে আছে। সেজন্য চুক্তি বাস্তবায়নে তারা আওয়ামী সরকারকেও কোন চাপ প্রয়োগ করতে পারেনি এবং বর্তমান বিএনপি সরকারকে তো নয়ই। এমনকি বৃহত্তর কোন আন্দোলনেও তারা যেতে পারেনি।

লেজুড়বৃত্তিক সংগঠন হিসেবে জেএসএস বড় আশা নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নগ্নভাবে সমর্থন দিয়েছিল। রাঙামাটিতে প্রকাশ্যে বিএনপি’র দিপেন দেওয়ানের পক্ষে জনগণকে ভোট দিতে প্রচারণা চালিয়েছিল। খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিএনপিকে জেতাতে জেএসএস প্রচেষ্টার কমতি রাখেনি। নির্বাচনে যে বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে তারা সমগ্র জুম্ম জনগণের স্বার্থকে উপেক্ষা করেছে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিস্থিত হওয়ার পর সেই বিএনপিই সর্বপ্রথম মীর হেলালকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বানিয়ে পার্বত্য চুক্তির লঙ্ঘন করেছে। কারণ পার্বত্য চুক্তিতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বাঙালি থাকার কোন বিধান নেই, আবার না থাকারও বিধান নেই। এটাও চুক্তির দুর্বলতা। বিএনপি সরকার চুক্তির দুর্বলতাগুলোই মূলত যথাযথভাবে কাজে লাগার চেষ্টা করছে।

দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে বিএনপি একচ্ছত্র ক্ষমতা ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে একের পর এক পাহাড়ি স্বার্থ বিরোধী পদক্ষপ গ্রহণ করছে। জেএসএস টু শব্দ করতে পারেনি। শুধুমাত্র আঞ্চলিক পরিষদের গদি হারানোর ভয়ে বিএনপি সরকারের পার্বত্য চুক্তি বিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে না দাঁড়িয়ে সন্তু লারমা জেএসএসকেই বিএনপির কাছে সঁেপ দিয়েছে। কোন যুক্তি ও যথার্থ কারণ ছাড়াই সেনা-ডিজিএফআই’র নির্দেশে পানছড়িতে ইউপিডিএফ’র ওপর জেএসএসের সশস্ত্র হামলা তার স্পষ্ট সাক্ষ্য দেয়। সেনা-শাসকগোষ্ঠীর কথায় পাহাড়ে আভ্যন্তরীণ দ্বন্ধ-সংঘাত জারী রাখতে না পারলে জেএসএস মাঠে মারা যাবে। তাদের ওপর ধরপাকড় হবে, জেল-জুলুম, গ্রেফতার, হামলা-মামলা শুরু হবে, যেটি ২০১৯ সালের দিকে আওয়ামী সরকারের সময়ে ঘটেছিল। এসময় জেএসএসের কেন্দ্রীয় নেতা কেএসমংকেও জেলে প্রেরণ করা হয়েছে। সুতরাং সন্তু লারমা তা ভালো করেই জানে এবং এ ভয়ে জেএসএসের পক্ষে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আর সম্ভব নয়।

মনে রাখা দরকার, জিয়াউর রহমানের শাসনামলেই সন্তু লারমা ধরা পড়েছিলেন এবং ৪৩ পৃষ্ঠার মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছিলেন। বিএনপি’র বিরুদ্ধে গেলে সন্তু লারমা কোন প্রক্রিয়ায় ছাড়া পেয়েছিলেন তা যদি জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় তাহলে সন্তু লারমার নগ্ন মুখোশ উন্মোচিত হওয়ার ভয় থেকে যায়! এজন্য বিদ্যমান পরিস্থিতিতে জেএসএসের টিকে থাকার একমাত্র উপায় এখন সেনা-ডিডিএফআই’র আর্জি পালন করে ইউপিডিএফ নির্মূলের বয়ান ছড়িয়ে পাহাড়ে সংঘাত জিইয়ে রাখা। সন্তু লারমার মুখ বন্ধ করে দিয়ে, পাহাড়িদের সশস্ত্র সংঘাতে ব্যস্ত রেখে বিএনপি সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘বাংলায়নে’ রুপান্তরিত করার পরিকল্পনা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে চায়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটির গঠন প্রক্রিয়াটাই হলো তার স্বচ্ছ প্রমাণ। বিএনপিকে সমর্থন দেওযার পরেও পার্বত্য চুক্তি বান্তবায়ন না করে কিংবা পার্বত্য চুক্তি অগ্রাহ্য করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে বিএনপির এমন সেটলারবান্ধব পদক্ষেপ জেএসএসকে পীড়িত করলেও শাসকগোষ্ঠীর বলয়ে বন্দী থাকায় জেএসএস এখন নিরুপায়! এটাকেই বলে অতি চালাকে গলায় দড়ি বা আত্মফাঁস। যা জেএসএস নেতৃত্বের অদূরদর্শীতা ও ভুল নীতি আকড়ে থাকার পরিণাম।

সোহেল চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি।



This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More