২০১৫ সালে রাঙামাটির কাউখালীতে মারমা শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আইয়ুব আলীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

0
সাজাপ্রাপ্ত আইয়ুব আলী। সংগৃহিত ছবি

রাঙামাটি, সিএইচটি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার কাশখালী বঙ্গটিলা এলাকায় স্থানীয় এক মারমা পরিবারের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু ধর্ষণের শিকার হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা-মা কাউখালী থানায় আইয়ুব আলী সওদাগরকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ঘটনার দিন বাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগী শিশুটিকে একা পেয়ে পাশের ধানখেতে নিয়ে যান আইয়ুব আলী। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটি ছেঁড়া পোশাক ও রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনার কথা জানায়।

উক্ত মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাঙামাটি শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়ে আইয়ুব আলী সওদাগরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই সঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) এ তথ্য নিশ্চিত করেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মাকসুদা হক।

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়ে বিচারক নিশাত সুলতানা এ দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন।

অ্যাডভোকেট মাকসুদা হক জানান, দ্বিতীয় শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার কাশখালী বঙ্গটিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এক মারমা পরিবারের শিশুটিকে ধানক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করেন আসামি আইয়ুব আলী।

এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এটি রাঙামাটির শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

* সূত্র: Rtv News



This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More