মাইকেল চাকমার ফেসবুক আইডি ও পেজ সাসপেন্ড করে দেয়ার প্রতিবাদ

0


নিজস্ব প্রতিনিধি, সিএইচটি নিউজ

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

অধিকারকর্মী ও ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার শাসনামলে জোরপূর্বক গুমের শিকার মাইকেল চাকমার ফেসবুক আইডি ও ফেসবুক পেজ ভুয়া পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগে সাসপেন্ড করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তাঁর ফেসবুক আইডি ও পেজ পুনরায় সচল করার দাবি জানিয়েছেন ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উষাতন চাকমা ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা।

রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) এক যুক্ত বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, ‍“মাইকেল চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার। তাঁর মতো একজন অধিকারকর্মীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারবিষয়ক তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

“আমাদের আশঙ্কা, ভুয়া অভিযোগ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রিপোর্টের মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠরোধ এবং জনসাধারণের কাছে তথ্য পৌঁছানোর পথ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে। তবে অভিযোগটির প্রকৃত উৎস ও প্রেক্ষাপট নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের ভূয়া, কাল্পনিক ও মনগড়া অভিযোগের ভিত্তিতে একজন অধিকারকর্মীর অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া কোনমতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

“আমরা ফেসবুক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, মাইকেল চাকমার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করতে হবে, অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো নীতিমালা লঙ্ঘনের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না থাকলে তাঁর অ্যাকাউন্ট অবিলম্বে পুনরায় সচল করতে হবে। একই সঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গণরিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে অধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধের সম্ভাবনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

বিবৃতিতে তাঁরা আরও বলেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধের হাতিয়ারে পরিণত হতে দেওয়া যায় না।

“আমরা মাইকেল চাকমার ফেসবুক আইডি অবিলম্বে সচল করার জোর দাবি জানাচ্ছি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলের সোচ্চার ভূমিকা প্রত্যাশা করছি।”

তাঁরা অবিলম্বে মাইকেল চাকমার ফেসবুক আইডি ও পেজ পুনরায় সচল করার দাবি জানিয়েছেন।



This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More