‘বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে’ লক্ষীছড়িতে র‌্যালি

0


লক্ষীছড়ি প্রতিনিধি, সিএইচটি নিউজ

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

‘বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে’ খাগড়াছড়ি লক্ষীছড়িতে এক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সকালে বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উদযাপন কমিটি’র ব্যানারে লক্ষীছড়ি উপজেলা সদরে এই র‌্যালির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, এলাকার জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কার্বারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।  

এতে বক্তব্য দেন, ১নং লক্ষীছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রবীল চাকমা, ২নং দুল্যাতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ত্রিলন চাকমা, ৩নং বর্মাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুইচালা চৌধুরী, কার্বারী রতন চাকমা, নারী ইউপি সদস্য মেরিনা চাকমা এবং উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মনিকা চাকমা।

লক্ষীছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রবীল কুমার চাকমা বলেন, প্রকৃতি বলতে আমরা কি বুঝি। আমাদের চারপাশে গাছ-বাঁশ, ছড়া-ঝিরি সহ যেগুলো মানুষকে বেঁচে থাকার জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে তাই প্রকৃতি। এই প্রকৃতিকে যদি আমরা তার মতো থাকতে না দিই তাহলে অনেক সময় প্রকৃতি আমাদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। সেজন্য আমাদেরকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করতে হবে। ছড়া-ঝিরি যেগুলো রয়েছে সেগুলোকে রক্ষা করতে হবে।

ত্রিলন চাকমা বলেন, আমাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন মুক্ত বায়ু। একমাত্র প্রকৃতি থেকেই এই মুক্ত বায়ু পাওয়া যায়। তাই প্রকৃতিকে সংরক্ষণের জন্য আমাদের সকলের আরো সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সুইচালা চৌধুরী বলেন, এখানকার মৌজাবন রক্ষা করার দায়িত্ব হচ্ছে আমাদের হেডম্যানদের।  আজকে যারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন আসুন আমরা প্রকৃতিকে রক্ষার জন্য অঙ্গীকার করি।

বক্তারা আরো বলেন, আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি একটি বিশেষ দিবসে, যার নাম বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস। এ দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে থাকে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রকৃতিকে রক্ষা করা।

তারা বলেন, প্রকৃতি আমাদের দেয় শ্বাস নেয়ার জন্য নির্মল বাতাস, পান করার জন্য বিশুদ্ধ জল, খাবার ও থাকার জন্য একটি নিরাপদ জায়গা। গাছ-পালা, পশু-পাখী, নদী-নালা, জীবজন্তু, কীতপতঙ্গ সবকিছু প্রকৃতির দান। প্রকৃতি ছাড়া মানুষ এক মুহুর্তও টিকে থাকতে পারে না। কিন্তু এই প্রকৃতিকে আমরা নিজেরাই বিপন্ন করে ফেলছি। যার ফলে জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা, বজ্রপাতের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পানির স্তর কমে যাচ্ছে। এসব থেকে বাঁচতে হলে আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। অবাধে গাছ কাটা, পাহাড় কাটা, সেগুনসহ পরিবেশের ক্ষতিকর গাছ রোপণ এবং যত্রতত্র প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে। বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল রক্ষা করতে হবে।   




This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More