সাজেকে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪ ত্রিপুরা পরিবার

0


সাজেক (রাঙামাটি), সিএইচটি নিউজ

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অরুণ পাড়ায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২৪টি ত্রিপুরা পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

গতকাল রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) বিকেলে রাঙামাটি জেলার বেশ কয়েকটি উপজেলায় শিলাসহ ভারী বর্ষণ হয়।

সন্ধ্যায় বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে শুরু হওয়া দমকা হাওয়া দ্রুত তীব্র আকার ধারণ করে। প্রবল দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে ঘর-বাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়। বাঁশের তৈরি অনেক ঘর সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নীচে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- ১. তেন্দ্র ত্রিপুরা, ২, ময় ত্রিপুরা, ৩. হিরন ময় ত্রিপুরা, ৪. কামিশ্বর ত্রিপুরা, ৫. ধরেন্দ্র ত্রিপুরা, ৬. অলেন্দ্র ত্রিপুরা, ৭. রতি ত্রিপুরা, ৮. চিপিনেশ্বর ত্রিপুরা, ৯. চরন ত্রিপুরা, ১০. কান্তি বিকাশ ত্রিপুরা, ১১. পেশারাই ত্রিপুরা, ১২. কার্ত্তিক কুমার ত্রিপুরা, ১৩. ধনেন্দ্র ত্রিপুরা, ১৪. রনেন্দ্র ত্রিপুরা, ১৫. দেলেন ত্রিপুরা, ১৬. তাংরাই ত্রিপুরা, ১৭. দিয়োগ ত্রিপুরা, ১৮. পারসনা ত্রিপুরা, ১৯. ফরেন ত্রিপুরা, ২০. ছবি ত্রিপুরা, ২১. ধন ত্রিপুরা, ২২. ফনেন্দ্র ত্রিপুরা, ২৩. নতেন মালা ত্রিপুরা, ২৪. কতেনলা ত্রিপুরা।

ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, ‌‘হঠাৎ করেই ঝড় শুরু হয়। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘরের ছাউনি উড়ে যায়। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকবো বুঝতে পারছি না।’


এ বিষয়ে সাজেক ইউনিয়নের পরিষদ চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করতে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ চলছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান বলেন, ঝড়ের কবলে প্রায় ২৪টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পেয়েছি। আরও খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানবো। প্রশাসনিকভাবে তাদের সহযোগিতা করা হবে।



This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More