মাইলস্টোন কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

0

ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলামের আদালতে এ আবেদন করেন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা।

অনলাইন ডেস্ক, সিএইচটি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ী এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলামের আদালতে এ আবেদন করেন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা।

মামলায় আরও যাদের আসামি করার আবেদন করা হয়েছে, তারা হলেন— ইউনূস সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিংবডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী, রাজউক চেয়ারম্যান, রাজউকের ফিল্ড সুপারভাইজার (উত্তরা)।

মামলার আবেদনের বিবরণ অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা গত বছরের ২১শে জুলাই স্কুলে গিয়েছিল। সেদিন দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে আসামিদের সরাসরি দায়িত্বে ও তত্ত্বাবধানে থাকা ত্রুটিযুক্ত প্রশিক্ষণ বিমান এফ-৭ বিজিআই মডেলের যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের আদেশ দেওয়া হয়। নবীন পাইলট একা ওই যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করলে ‘ত্রুটিজনিত কারণে’ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হয়।

এই ঘটনায় ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক ও একজন পরিচালকসহ ৩৫ জন মারা যায়। এছাড়া, ১৭২ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন বলে মামলার আবেদনে বলা হয়েছে।

মামলার আবেদনে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, তিনি সেসময় স্বশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তাই, এফ-৭ যুদ্ধ বিমানটি তার অধীনস্ত ও নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল।

একইসঙ্গে বলা হয়েছে, সেসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা দেননি।। তাই দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে এই মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা



This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More