রামগড়ে সেনা হামলায় নিহত ইউপিডিএফ সদস্য ববিন ত্রিপুরার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, দাহক্রিয়া সম্পন্ন

মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি, সিএইচটি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
খাগড়াছড়ির রামগড়ে গতকাল (২৪ জুন) সেনাবাহিনীর হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ইউপিডিএফ সদস্য ববিন ত্রিপুরার দাহক্রিয়া যথাযোগ্য মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে। এতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের নেতা-কর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) রাত ৯টায় ববিন ত্রিপুরার নিজ গ্রাম মাটিরাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট অভ্যা এলাকায় এই দাহক্রিয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় এলাকাবাসী, আত্মীয়-স্বজন ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পোস্টমর্টেম শেষে মরদেহ গ্রহণ করেন ববিন ত্রিপুরার স্ত্রী বসু রাণী ত্রিপুরা। এরপর মরদেহটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর মরদেহের কফিন ইউপিডিএফের দলীয় পতাকায় আবৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ ববিন ত্রিপুরার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ইউপিডিএফের সংগঠক বরুন চাকমা, সদস্য অর্জুন চাকমা এবং পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রামগড় উপজেলা সভাপতি তৈইমাং ত্রিপুরা। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।
এরপর ইউপিডিএফ সংগঠক বরুন চাকমা শহীদ ববিন ত্রিপুরার সহধর্মিণী বসু রাণীর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন। পরে শহীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মরদেহের কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে স্যালুট প্রদান করেন।


অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী কর্তৃক কথিত ‘অস্ত্র উদ্ধারের’ নাটক সাজিয়ে ববিন ত্রিপুরাকে গুলি করে হত্যা ও মংসানু মারমাকে আহত অবস্থায় গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং ঘটনায় জড়িত সেনা সদস্যদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল (২৪ জুন ২০২৬) সকাল ১০ টার সময় রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হন ববিন ত্রিপুরা। এছাড়া একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন নামে আরেকজনকে আহত অবস্থায় সেনাবাহিনী গ্রেফতার করে।
সিএইচটি নিউজে প্রকাশিত প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ,ভিডিও, কনটেন্ট ব্যবহার করতে হলে কপিরাইট আইন অনুসরণ করে ব্যবহার করুন।
