0

জুলাই মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঘটেছে খুন, অপহরণ, হামলা, গ্রেফতারসহ নানা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা

সিএইচটি নিউজ0আগস্ট ০৬, ২০২৬


নিজস্ব প্রতিনিধি, সিএইচটি নিউজ

বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬

গত জুলাই মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামে খুন, অপহরণ, হামলা, গ্রেফতারসহ নানা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে ইউপিডিএফের মানবাধিকার পরিবীক্ষণ সেলের মাসিক রিপোর্ট ‘পরিবীক্ষণ’-এ তুলে ধরা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রীয় বাহিনী, জেএসএস (সন্তু), ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী ও সেটলার কর্তৃক পৃথক পৃথকভাবে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এতে ভূমি বেদখল ও নারীর ওপর সহিংসতার ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।

গত ৩ জুলাই ২০২৬ প্রকাশ করা রিপোর্টটিতে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বাহিনী বিশেষত সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে। অন্যায় ধরপাকড়, নিপীড়ন-নির্যাতন, অবৈধ তল্লাশি, অপারেশনের নামে জনমনে ভীতি সঞ্চার ইত্যাদি চলমান রয়েছে। সেনাশাসন ‘অপারেশন উত্তরণ’ বলবৎ থাকায় তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করলেও দায়মুক্তি পেয়ে যায়।

গত জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর হাতে অন্যায় গ্রেফতারের শিকার হয়েছেন ২ জন বম গ্রামবাসী। ২ জুলাই বান্দরবানের থানচি উপজেলার থাংদোয়াই পাড়া ও সেরকর পাড়া থেকে ৬৫ বছর বয়সী চমখুপ বম ও ৫৫ বছর বয়সী জৌথোয়াং বমকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে জৌথোয়াং বমকে পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হলেও চমখুপ বমের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানা যায়নি।

সেনাবাহিনী কর্তৃক অবৈধ তল্লাশি চালানো হয়েছে অন্তত ১২ জনের বাড়িতে। রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন স্থানে এই তল্লাশির ঘটনাগুলো ঘটে। এর মধ্যে ইউপিডিএফের এক সংগঠকের বাড়িও রয়েছে। তল্লাশিকালে সেনা সদস্যরা বাড়িঘরের জিনিসপত্র তছনছ করে দেয়, জিজ্ঞাসাবাদের নামে পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করে এবং এক স্কুলছাত্রসহ দু’জনকে আটকের চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।  

রাঙামাটির সাজেকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পরিকল্পিত গাড়ির ধাক্কায় সুমন্তি চাকমা নামে এক অন্তঃসত্ত্বা পাহাড়ি শিক্ষিকার মৃত্যু হয়। গত ১৮ জুলাই সকালে সিএনজি (অটোরিক্সা) যোগে সন্তান প্রসবের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাজেকের মাজলঙ সড়কে বিজিবির চালিত একটি গাড়ি পিছন থেকে সুমন্তি চাকমাকে বহনকারী অটোরিকশায় ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেও জড়িত বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এছাড়া রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িরতে ইউপিডিএফকে টার্গেট করে ৬টির অধিক স্থানে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় সেনা সদস্যরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটায় এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

জেএসএস (সন্তু) কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরে রিপোর্টে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বা পিসিজেএসএস কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনও থেমে নেই। তারা প্রতিনিয়ত খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, হয়রানি, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহায়তায় সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে সাধারণ জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলেছে। সন্তু লারমা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আঞ্চলিক পরিষদের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী লালন-পালন করছেন। কাজেই পিসিজেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় সরকার কোনভাবে এড়িয়ে যেতে পারে না।

গত জুলাই মাসে পিসিজেএসএস-এর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের দলত্যাগী তিন কর্মী রিয়েল চাকমা, হৃদয় চাকমা (পদ্ম) ও ধনা চাকমাকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করে। গত ৬ জুলাই খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির মধুমঙ্গল পাড়ায় এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় এলাকার জনগণের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

আলোচ্য মাসে তাদের দ্বারা অপহরণের শিকার হন রাঙামাটির সাজেক ইউনিয়নের মাজলঙের ভুয়োছড়ি এলাকার ৭ জন জুমচাষী। গত ৫ জুলাই এ অপহরণের ঘটনাটি সংঘটিত হয়। তবে এলাকার জনগণের প্রতিরোধের মুখে পরে তারা অপহৃতদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। 

এছাড়া খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার বাবুড়োপাড়া বাজারের দোকানে সন্তু গ্রুপ বিরোধী সচেতন জনতার পোস্টার সাঁটানো থাকার কারণে দোকানদারদের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং রাঙামাটির বন্দুকভাঙা ইউনিয়নের ত্রিপুরাছড়া গ্রামবাসীদেরকে তাদের চলাচলের রাস্তা প্রশস্ত করার নির্দেশ প্রদানের অভিযোগ রয়েছে পিসিজেএসএস-এর সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে।

রিপোর্টে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত ঘটনা তুলে ধরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মদদপুষ্ট ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীর সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতাও পার্বত্য চট্টগ্রামে অব্যাহত রয়েছে।

এই সন্ত্রাসীদের হাতে জুলাই মাসে উমাইয়ণ ত্রিপুরা নামে এক ব্যক্তি অপহরণের শিকার হয়েছেন। গত ১৮ জুলাই খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা বাজার এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করা হয় এবং তার ওপর বেদম শারিরীক নির্যাতন চালানো হয়। পরে দেড় লাখ টাকা দেওয়ার শর্তে অপহরণকারীরা তাকে ছেড়ে দেয় বলে জানা যায়।

এছাড়াও ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং সেনাবাহিনীর সহযোগি হিসেবে অপারেশনের সময় সাধারণ জনগণকে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে।

সেটলার বাঙালিদের দ্বারা সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তুলে ধরে রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুনর্বাসিত সেটলাররা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পাহাড়িদের ওপর হামলাসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত। সরকার বা প্রশাসনকে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় না।

গত জুলাই মাসে সেটলারদের দ্বারা দুটি হামলার ঘটনা সংঘটিত হয়। একটি ঘটনা ঘটে খাগড়াছড়ি সদর বাজারে। গত ৩ জুলাই সবজি বিক্রি করতে যাওয়া ক্রাইউ মগিনী নামে এক মারমা নারীর ওপর মো. ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তি হামলা চালিয়ে জখম করে। পরে ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বলে জানা যায়।

অপর ঘটনাটি ঘটে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সোনাইআগা নামক স্থানে। গত ২২ জুলাই বাজারে সবজি বিক্রি করতে যাওয়ার পথে মো. ইউনূস গং কর্তৃক সংঘটিত এ হামলার ঘটনায় ৬ জন পাহাড়ি নারী-পুরুষ আহত হন। আহত ব্যক্তিরা হলেন- স্নেহকুমার চাকমা (৪০), রবি শান্তি চাকমা (৩৮), লক্ষীকুমার চাকমা (৪৫), বিন্দু চাকমা (৪১), সোনাদেবী চাকমা (৩৭) ও গুরিমিলা চাকমা (৩৯)। হামলাকারী সেটলাররা তাদেরকে মারধর করা ছাড়াও তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ও বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যাওয়া সবজিসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত সেটলারদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা যায়নি।

ভুমি বেদখলের ঘটনা তুলে ধরে রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের ভূমি বেদখল ও বেদখলের চেষ্টার ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটে থাকে। মূলত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষিত সেটলাররাই এ ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত।

গত জুলাই মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির দুই স্থানে ভূমি বেদখলের চেষ্টা ও বেদখল করার ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেটলাররা নতুন করে পাহাড়িদের ভূমি বেদখলের ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা পাহাড়িদের ভোগদখলীয় জমি ও বসতভিটাকে নিজেদের বলে দাবি করে মিছিল-সমাবেশ করার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পাহাড়ি ভূমি মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

অপর ঘটনাটি ঘটে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাবলাখালীতে। সেখানে ভূমি বেদখলে বাধা দিতে গিয়ে মহেন্দ্র চাকমা নামে এক পাহাড়ি আহত হন। গত ২৭ জুলাই সেটলার ভূমিদস্যু মো. কদ্দুসসহ ১০ জনের একদল সেটলার স্থানীয় বাসিন্দা মহেন্দ্র চাকমা (৫৫), নোবেল চাকমা (৩৪), চিরঞ্জীব চাকমা (৫৫) ও চিজিমুনি চাকমা (৩০)-এর জমি বেদখল করার উদ্দেশ্যে জঙ্গল পরিষ্কার করতে যায়। মহেন্দ্র চাকমা বাধা দিলে সেটলার সন্ত্রাসীরা তার দিকে ধারালো দা ছুঁড়ে মারে। এতে তিনি পিঠে জখম হন। পরে আশে-পাশের পাহাড়িরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেটলারদের প্রতিরোধ করলে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। স্থানীয় পাহাড়িরা ভূমি বেদখল চেষ্টাকারী সেটলারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানালেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সে ধরনের কোন পদক্ষেপ নেয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

রিপোর্টটিতে নারীর ওপর সহিংসতার ঘটনাও তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গত জুলাই মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামে ও এর বাইরে চট্টগ্রাম এলাকায় নারীর ওপর সহিংসতার দুটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গত ১০ জুলাই খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার ২৪ মাইল নামক এলাকার জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা মরদেহটি ‘মারমা নারীর’ বলে ধারণা করলেও পুলিশ ও স্থানীয়রা তার সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। এ ঘটনায় স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা ও ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে পুলিশ এখনো এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা যায়নি।

অপর ঘটনাটি ঘটে গত ২৪ জুলাই চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পাহাড়ি ছাত্রী একটি লোকাল বাসে করে খাগড়াছড়ি যাবার পথে মো. জসিম নামে এক ব্যক্তি কর্তৃক শ্লীলতাহানির শিকার হন। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী ফটিকছড়ি থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত মো. জসিমকে গ্রেফতার করে।

সেটলার পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্রের তথ্য উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন তাইন্দং ইউনিয়নের তিনটি পাহাড়ি গ্রাম বগাপাড়া, বান্দরসিং পাড়া ও তানাক্কা পাড়া এলাকায় নতুন করে মুসলমান সেটলার পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া গেছে।

পানছড়ি উপজেলা ও ভারত সীমান্তবর্তী তাইন্দং ইউনিয়নে ইতিমধ্যে অন্প্রুবেশকারী সেটলাররা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গত ৮০ দশকে জিয়াউর রহমান সরকার তাদেরকে সেখানে পাহাড়িদের জমিতে পুনর্বাসন করে। পাহাড়িদেরকে উচ্ছেদ করতে সে সময় বেশ কয়েকটি বড় আকারের সাম্প্রদায়িক হামলা সংঘটিত করা হয়েছিল। ২০১৩ সালেও সেখানে পাহাড়িদের ওপর একটি সাম্প্রদায়িক হামলা সংঘটিত হয়েছিল। এতে পাহাড়িদের বহু ঘরবাড়ি অগ্নিসংযোগ করে জ¦ালিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

অনেকের ধারণা তাইন্দং-এ নতুন করে সেটলার পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনবাহিনী জেএসএস সন্তু গ্রæপকে ব্যবহার করে পাহাড়িদের আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করছে। যেহেতু ইউপিডিএফ ভূমি বেদখল ও সেটলার পুনর্বাসনের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার, তাই সেনাবাহিনী ও জেএসএস যৌথভাবে তার ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে।



This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. AcceptRead More